HOMOEOPATHIC MEDICAL OFFICER OF AYUSH, INDIA. AMATEUR ABOUT PHOTOGRAPHY AND OTHERS.
Thursday, July 10, 2025
কস্তুরী
Tuesday, July 1, 2025
সমান্তরালে
ফেনায়িত ঢেউ গুনতে গুনতে
সূর্যাস্তের কাঁচা হলুদ আলোতে
একদিন হারিয়েছিলাম নিজেকে।
চিরকালের বিষন্নতা ধুতে ধুতে
খালি পায়ে ঘুরে ছিলাম অনেকটা ঝাউয়ের বনে,
একান্ত একাকী নিঃশব্দে আনমনে।
ঘোড়ার পিঠে, উটের পিঠে ,মানুষের কোলাহলে
ভালো লাগার সুখ ছড়িয়েছিল কাজুবাদামের ফুলে ফুলে।
হঠাৎই হাওয়ায় উড়তে উড়তে শর্বরী এসেছিল অজান্তে।
বলেছিল "আরে দেবদাস! তুমি এখানে ? "
শর্বরীর সুখ- দুঃখের কথা শুনতে শুনতে
আমি একটা মস্ত কালো ঘোড়ার পিঠে চড়ে
কখন যে চলে এসেছিলাম অনেক দূরে।
ও হারিয়েছিল নোনা অন্ধকারের বালু তটে।
জানা ছিল না দেখা হবে কিনা কোনদিন আর।
সংসারের হাল ধরা কিশোর সব বেলুন বিকিয়ে বাড়ি ফেরে।
জীবনের শোক- তাপ মিশে যায় সমুদ্রের জলে।
নির্জনতা এবং ব্যস্ততার মাঝে বয়ে যায় শান্তি স্রোত,
শর্বরী কিংবা আমি বেঁচে থাকি কালের সমান্তরালে।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা নদীয়া পশ্চিম বঙ্গ
১/৭/২০২৫
Wednesday, June 25, 2025
হেতাল বনে
গা ছমছম হেতাল বন,
মনের ভিতর উচাটন।
ডোরাকাটা বাঘের ছাও
তোমরা যদি দেখতে পাও
তবেই ভিড়াই কাঠের নাও।
হেতাল গাছের ভিতর থেকে
কি দেখা যায় খাড়ির বাঁকে?
বাঘ নয় তো? নাকি অন্য কিছু?
এগিয়ে চলো নৌকা পিছু,
দেখতে পেলাম ভোঁদড় কিছু।
এইরে! লাফ দিয়েছে বাঘের বাপ,
ভয়ে পালায় দাড়াস সাপ।
এক লাফেতেই নদীর ওপার,
মাখলো কাদা, ভিজলো গতর
ভয়েই থাকে নীথর চর।
সুন্দর বনের কুমিরগুলো
অলস ভারি ,খাওয়ার নূলো।
শুয়ে কাটায় খাড়ির চরে।
চোখ বুজে রয় ঘাপটি মেরে
সুযোগ পেলেই কাঁকড়া ধরে।
সুন্দরী ,গরান ,গেওয়া, মৌমাছি
এদের নিয়েই আমরা আছি।
ওই দেখা যায় কুমিরমারি
মেঘে মেঘে আকাশ ভারি
একলা পথে বাপ হারানো ফুলকুমারী।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা ,নদীয়া২৫/৬/২০২৫
Wednesday, June 18, 2025
হাসনুহানা
💮💮 এইতো সেদিন বললে" ভালোবাসি"
আবার আজকেই বললে" ভুল করেছি"
বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে সেই তো আবার জানালে দারুণভাবে হেরে গেছো তুমি।
আমি তো দিয়েছিলাম তোমাকে একটি হাসনুহানা গাছ।
তাতে বুঝি ফুল ফোটে নি একটাও?
সুগন্ধিতে ভরিয়ে দেয় নি প্রাণ কখনো?
শান্তির ঘুম এনে দিয়েছে ছোট ছোট সাদা হাসনুহানা তোমাকে।
আমাকে ভুলে গেলেও চলবে হাজারো ব্যস্ততায়।
কিন্তু ভালোবাসো হাসনুহানাকে,
আমিও তো চাই হাসনুহানাকে একান্তে।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদীয়া
১৮/৬/২০২৫🥀🥀💮
Saturday, June 7, 2025
যেমন করে
যেমন ফোটে আকাশমনি
যেমন ফোটে সাঝের তারা
যেমন ফোটে আতশবাজি
তেমনি ফুটুক শৈশব।
যেমন হাসে চন্দ্রমুখী,
যেমন হাসে রোদের ছটা,
যেমন হাসে ফোকলা দাঁতী,
তেমনি হাসুক কৈশোর।
যেমন ছোটে কাজের মাসি,
যেমন ছোটে অফিস বাবু,
যেমন ছোটে হাওয়াই গাড়ি,
তেমনি ছুটুক যৌবন।
যেমন রাঙ্গায় পটের ছবি,
যেমন রাঙায় অস্তরাগ,
যেমন রাঙ্গায় পলাশ বিথী,
তেমনি রাঙাক সুখের ঘর।
যেমনি ঝরে শুকনো পাতা,
যেমনি ঝরে উল্কা রাশি,
যেমনি ঝরে পাহাড় ঝরা,
তেমনি ঝরুক জীবন ভর।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা,নদীয়া
7/6/25
Saturday, May 31, 2025
চাকরি হারা
👩👩 সুখ -দুঃখের চৌরাস্তায়
বিন্দি পিসির ঘর।
বেড়ার ঘরে সূর্য ঢোকে
জল পড়ে ঝর ঝর।।
মুড়ি ভাজে বস্তা বস্তা
ভাইঝি পড়ায় নিজে।
আশা নিয়ে বুক বেধেছে
চাকরি নেবে খুজেঁ।।
বিন্দি পিসির ললাট চালে
মুড়ির কদর ভারী।
ভাইঝি থাকে সাথে-পিঠে
লড়াই থাকে জারি।।।
নয়ন পড়ে একা একাই
গরম টিনের চাল।
ফড় ফড়িয়ে মুড়ি ফোটে
আগুন শিখা লাল।
নয়ন যেদিন কলেজ গেল
পিসির চোখে জল।
মনের ভিতর খুশির হাওয়া
হারিয়ে গেল বল।।
নয়ন যায় মাস্টারি তে
চাকরি গেছে জুটে।
স্কুলে তে ছাত্র নেই
ক্লাস ঘরে ঘুটে।।
বছর ছয়েক পরে সেদিন
জানতে পারে নয়ন।
চাকরিটা তার চলে গেছে
হারিয়ে গেল স্বপন।। 👩👩
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা পূর্ব পাড়া
নদীয়া।
31/5/2025
Thursday, May 29, 2025
রঙিন ঘুড়ি
আছে তোমার শান বাধানো বকুলতলা ।
সুগন্ধ বয়ে যায় সারাবেলা,
আমার কিন্তু নেই অবকাশ সেখানে বসবার।
তোমার আছে চৌকো ছাদ বাগান ।
রোদ আর হাসির লুটোপুটি চলে,
আমার সামর্থ্য নেই উপরে উঠবার।
কাঠগোলাপের শুভ্রতাও আছে তোমার।
সারা উঠোন জুড়ে ছড়ানো ফুল,
আমার কিন্তু ইচ্ছা নেই ওগুলো কুড়াবার।
তোমার আছে ছোট্ট আরেকটি পুকুর।
শালুক ফোটে, মাছরাঙ্গা এসে বসে,
আমার কিন্তু খেয়াল নেই ফিরে তাকাবার।
তোমার পৃথিবীতে যা যা আছে,
সবই দামি এবং মোহ ময়।
আমার কিন্তু নেই কিছু হারাবার।
তোমার আছে সৌন্দর্য আর গলায় সুর।
সারা বাড়ি ঝরে পড়ে সুখ,
আমার কিন্তু মন নেই গান গাইবার।
তোমার বারান্দা আছে, বেতের চেয়ার ও রয়েছে
বিকেলে চায়ের উষ্ণতার ছোঁয়া লাগে,
আমার কিন্তু ইচ্ছ নেই চুমুক দেওয়ার।
তোমার আছে হাজারো রঙিন স্বপ্ন ।
সদর দরজায় রঙিন বেগনভেলিয়া ঝুঁকে ঝুঁকে পড়ে,
আমার কিন্তু নেই বাসনা ছুয়ে দেখবার।
তাহলে আমার আছেটা কি?
আছে বিনি সুতোয় বাঁধা একটি রঙিন ঘুড়ি,
কারণে-অকারণে যাকে ওড়াই সহস্র বার।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদীয়া
29/5/2025
এই দেশে
চলো চলো ওই দূরে ঘুরে ঘুরে পথ চিনে। ধান ক্ষেত পাশে রেখে ঢুকে পড়ি কাশ বনে। খাল বিল লাফ দিয়ে এসে পড়ো নদী পাড়ে। কালো জলে চাঁদ ভাসে গান গা...
-
চলো চলো ওই দূরে ঘুরে ঘুরে পথ চিনে। ধান ক্ষেত পাশে রেখে ঢুকে পড়ি কাশ বনে। খাল বিল লাফ দিয়ে এসে পড়ো নদী পাড়ে। কালো জলে চাঁদ ভাসে গান গা...
-
বিবাগী বৃষ্টি ডাঃ কাজল কুমার বক্সী(এইচ,এম,ও ) যাক বৃষ্টিরা এ বছরের মতো খাল,বিল ,নদী নালা টই টম্বুর করে শব্দ হারা একলা বিবাগী। আলো মতীর খে...




