THE WRITINGS OF DR.KAJAL KR. BAKSHI(H.M.O)
HOMOEOPATHIC MEDICAL OFFICER OF AYUSH, INDIA. AMATEUR ABOUT PHOTOGRAPHY AND OTHERS.
Followers
Thursday, October 8, 2026
তোমাকে বলা হয়নি আজও যে কথা
Sunday, September 13, 2026
তিন সত্যি
বলেছিলে তিন সত্যির ভালোবাসা দেবে আমাকে,
তার পরেই পড়ন্ত বিকেলের আলো মুছে
হঠাৎই হারালে কোথাও।
পান কৌড়ির ডুব সাঁতারে কোন অতলের
পাতাল পূরীর খোঁজ পেলে তুমি------
তিন সত্যির মানে হলো কি?
সদর দরজা দিয়ে হেমন্তের কাশ ফুল বয়ে এনে
পিছন দরজার তালা ভেঙ্গে পালিয়ে কোথায় বাঁচলে?
তিন সত্যির মোহে এখনো প্রেমিকারা পথ ভোলে।
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা ,নদিয়া,
১৩/৯/২৬
Sunday, August 16, 2026
আলতা পায়ে পায়ে
তোমার শান্ত কথায় ঝুমকো লতা দোলে,
বৃষ্টি ঝরানো আকাশে সন্ধা তারারা মিট মিটিয়ে জ্বলে।
হাজার শব্দ মালার ফুল ঝুরিতে গন্ধরাজ লেবুর সুবাস ছড়ায়।
তবুও হঠাৎ একদিন সমস্ত বাড়িতে শব্দহীনতার ছায়া পড়ে।
শীর্তাত বোবা কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চৌকাঠ থেকে অলি - গলি ।
রাজপথ কেড়ে নিয়ে গেছে স্বামী সন্তান নিমেষে বহুকাল আগে।
দিনের পর দিন কথা জমে জমে সাদা বরফ কুচির মত বাতাসে ভাসে।
ঝুমকো লতার থোকা থোকা ফুলগুলো আজও তোমার স্পর্শহীনতায় দোলে।
সারা জীবন অনেক কথা বলবে বলেই এই বাড়িটাতে আসা আলতা পায়ে।
ছোট থেকে বড় হওয়ার নানান গল্প বলা বাকি এখনো--
কথা হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসে কি রাঙতা মোড়া হয়ে নতুন কোন সোনালী রোদের সকালে?
বিস্তৃত নীল আকাশটাই যাদের উঠোন বাড়ি
অব্যক্ত কথার উল্কা খসার রাতে তারা কেউ ফিরে আসে না, আলতা পায়ে পায়ে।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
১৬/৮/২০২৬
Friday, August 14, 2026
দেশ প্রেম
শিব প্রসাদ দেশকে ভালোবাসতো।মানুষকেও ভালোবাসতো একই ছন্দে। আর ভালোবাসতো বাড়ির প্রত্যেক সদস্যকে। কিন্তু নিষ্টার সঙ্গে মাষ্টার ডিগ্রি করেও যখন সে একটা চাকরি পেলোনা তখন শিবপ্রাসাদ দেশের প্রতি একটু নিরাশ হলো। মানুষদেরও অত বেশী বিশ্বাস করতে পারছিলনা। তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও অমনোযোগী হতে শুরু করলো।
নিজের জীবনের ভবিষ্যত নিয়ে মনের ভিতর নানা দ্বন্দের দোলাচলে সে একদিন বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়োলো। হারিয়ে গেল কোথাও। সবাই বলতে শুরু করলো " ছেলেটা কি ভালোছিলো আর কি হয়ে গেলো।
শিব প্রসাদের বেচে থাকার ও অর্থ উপার্জনের লড়াই শুরু হলো। সে অনেক চেষ্টা করে একটা টিউশানি জোগাড় করলো প্রথমে। ছাত্র পড়াতে গিয়ে সেও আরো পড়তে শুরু করলো।
একটা দুটো করে দিনে দিনে তাঁর ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়োতে থাকলো। দুই তিন বছর ঘুরতে না ঘুরতে তার পড়ানোর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়লো। শিবিপ্রসাদ অচিরেই এক জন খ্যাতনামা শিক্ষক হয়ে উঠলো। অর্থ নৈতিক ভাবে স্বচ্ছল ও আত্ম বিশ্বাসী নাগরিক সে একজন। শিবপ্রসাদ আবারো দেশকে ভালোবাসে আগের মতো। মানুষের পাশে দাঁড়ায় আপদে-বিপদে। বাড়ির সদস্য দের জন্য দায়িত্ব পালনে পিছপা হয় না কখনো।
১৫ই আগষ্ট সে একটা জাতীয় পতাকা কিনে বাড়ীর ছাদে উড়িয়ে বলতে থাকলো
"মেরা দেশ মহান, ম্যায় খোদ হঙ্গে মহান। ১৫ আগষ্ট জিন্দাবাদ , বন্দে মাতরম।
ডা: কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
14/8/2026
Friday, August 7, 2026
চটি চাটা
নমস্কার ডাক্তার বাবু, বলছি এখানে কি হাঁস- মুরগির ওষুধ দেওয়া হয়?
-- না-না, দেওয়া হয় না।
পরের দিন আরেক জন।
--আচ্ছা ডাক্তার বাবু , এখানে কি গরু-ছাগলের ওষুধ দেওয়া হয়? কয়দিন দেখছি আমার গাঁইটার বাট ফুলেছে। দুধ দোয়াতে পারছি না।
--না-না, এখানে গরু ছাগলের ওষুধ দেওয়া হয়না। শুধু মাত্র মানুষের জন্য ওষূধ দেওয়া হয়।
--তার পরের দিন আরেক জন।
-- নমস্কার ডাক্তার বাবু , বলছি এখানে কি কোনো চটি চাটার ওষুধ দেওয়া হয়?
-- হ্যা দেওয়া হয়।
-- বলেন কি ডাক্তার বাবু ! এ তো বিশাল ব্যাপার, আমি কি একটু ভিতরে আসতে পারি?
-- আসুন।
-- বলছি চটি চাটারদের অসুবিধা কি? মানে কি কি রোগ হয়?
---কি আর হবে, ওই চটি চাটতে চাটতে জিব ফুলে যায়, অনেক সময় লালা বেরিয়ে আসে । চটি না চাটতে পারলে ভালো লাগেনা, রাত্রে ঘুম হয় না। খাওয়া -দাওয়া ভুলে যায়।
--- এ তো দেখছি অনেক অসুবিধা!
-- আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে বলবেন কি ওষুধ দেন আপনি?
--- কি আর ওষুধ, চটি চাটা ৩০ খাওয়ালেই সব ঠিক হয়ে যায়।
--তাই নাকি! তাহলে দয়া করে আমাকে একটু চটি চাটা ৩০ এক শিশি ওষুধ দেন ।আমার ঠিক ওই রোগ গুলিই হয়েছে।
--তাই নাকি? ঠিক আছে দিচ্ছি।
--- লোকটি সঙ্গে সঙ্গে বিশাল হা করে দুই ফোঁটা ওষূধ খেয়ে নিলেন। এবং নিজের গাছের চারটি পাতি লেবু দিয়ে বললেন " দারুন ওষুধ দিয়েছেন ডাক্তার বাবু, নেবু গুলো গরম ডালের সঙ্গে খাবেন ভালো লাগবে।"
আমি ভাবলাম , চটি চাটাদের রোগ মুক্তি যত তাড়াতাড়ি হবে ততই সমাজের মঙ্গল।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নাদিয়া,
৭/৮/২০২৬
--
Sunday, July 19, 2026
বর্ষা
এই চেনা পোড়া শহরটা উথাল-পাথাল হলে
বর্ষার ভ্রুক্ষেপ থাকেনা কোনো ক্ষণে।
সে উদ্দাম আনাবিল আনন্দে মাথা ভাঙ্গায়, চূর্নীতে
জল ছেটানোর খেলায় মেতে ওঠে খেয়াল খুশিতে।
যে বৃষ্টি সিক্ত সুখ বয়ে আনে মনের কোণাতে,
তৃষ্ণা মিটায় যৌবন বতী হওয়া পদ্ম বিলেতে।
শহর থেকে গঞ্জের জটিল আবর্তের ঘুরপাকে,
সেই স্রোত ধারা মেশে চেনা নদীটার বাঁকে।
একাকী বৃদ্ধের মোটা চশমায় সব ঢাকা পড়ে ,
একদিন তাঁরাও ভিজেছিল অনেক ,হাত ধরে ধরে।
হীরক কূচীর মতো জলের বিন্দু মুখে নিয়ে বাড়ী ফেরে
কিশোরীর দল ,গ্রামের সবুজ আঁকা-বাঁকা পথ ধরে।
বর্ষা তখন আশ্রয় খোঁজে চূর্নীর খোলা বুকের মাঝে,
দূর থেকে ওই শোনা যায় তারই মধুর ধ্বনি বাজে।
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা,নদিয়া,
kkbakshi007@gmail.com
20/07/2026
Tuesday, July 7, 2026
ঘর বেঁধেছি
তোমাকে বলা হয়নি আজও যে কথা
হাজারো মানুষের দুঃখ কথা শুনতে শুনতে আমার কালশীটে পড়া আট পৌরে বেদনার আলেখ্য তোমাকে বলা হয়নি কখনো। প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম ছন্দে বড় বড় দুঃখের যাঁত...
-
হাজারো মানুষের দুঃখ কথা শুনতে শুনতে আমার কালশীটে পড়া আট পৌরে বেদনার আলেখ্য তোমাকে বলা হয়নি কখনো। প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম ছন্দে বড় বড় দুঃখের যাঁত...
-
বিবাগী বৃষ্টি ডাঃ কাজল কুমার বক্সী(এইচ,এম,ও ) যাক বৃষ্টিরা এ বছরের মতো খাল,বিল ,নদী নালা টই টম্বুর করে শব্দ হারা একলা বিবাগী। আলো মতীর খে...
-
দুঃখ হারাতে আরো বড় দুঃখের সন্ধানে যাই। নিজের ভাঙ্গা-চোরা বেদনা তখন নিজেকে হারায়। সুখ খুঁজতে নেমে পড়ি আরো অনেক সুখের তল্লাশীতে। আপন খুশি স্...
-
ইচ্ছে ডানা(২)🐦🐦 যেহেতু আমাদের হাফ লং যাওয়ার ট্রেন ভোর সাড়ে ছয়টায় সেই হেতু আমরা গভীর রাত্রেই শিয়ালদহ স্টেশনে পৌছে গিয়ে ছিলাম। কো...
-
👧👧 আমার কিছুই নেই তোমাকে দেওয়ার মত-- সমুদ্রের ঢেউ ছোঁয়া ক্লান্ত পাড়ের ঝিনুক কিংবা পুকুর পাড়ের আলো করা অবহেলার ঘেটু ফুল, নিলেও নিয়ে যেতে ...
-
😀😀 বুকুনের নেই কোনো দামি মটোর সাইকেল, পকেটে গার্ল ফ্রেন্ডের লিস্টও থাকে না। সে পড়াশোনা করে,ছবি আঁকে,গান করে, বুকুন ভালো ছেলে ,বাজে বকেনা।...
-
😐😐 প্রশান্ত বাবু কলকাতা্র সন্নিকটেই এক পেল্লায় বাড়ি করেছেন। বাড়ি বললে একটু ভুলই হবে। ওটা একটা ডুপ্লেক্স সাজানো বাংলো। প্রায় সব ধরনের ...
-
ডুব ডাঃ কাজল কুমার বক্সী (এইচ,এম, ও) ডুব দিয়েছে গোল সূর্যি🌄🌅 ডুব দিয়েছে পান কৌড়ি, ঘোমটা টেনে কুসুম রঙের বসে আছে জুঁই বাউড়ি। ডুব দিয়েছ...
-
👪 প্যন্ডেমিক এর জন্য প্রায় দুই বছরের বেশি কোথাও তেমন বেড়াতে যাওয়া হয়নি। মনটা উড়ু উড়ু করছিল একটু বাইরে ঘুরে আসতে। ঠিক করে ফেললাম সেজন্য হাফল...






