Saturday, May 30, 2026

নদীটির জীবনের জন্য

 তুমি কি আমার নদীটাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে? 

কতদিন কতবার তুমি বলেছ ক্লান্ত দিনের শেষে, 

"চলনা একটু নদীটার পাড়ে গিয়ে বসি,  গল্প করি, হালকা করি মন টাকে। "

সেসব কথা না হয় ভুলেই গেছো, 

কিন্তু নদীটা তো আর সেই নদী নেই, 

তোমাকে প্রায়ই দেখি নদীতে প্রদীপ ভাসাও

ঝুড়ি ভর্তি বেল ফুল পাতা ফেলে আসো জলে, 

কত রকমের নোংরা ছুড়ে ছুড়ে দাও।

সেই জন্য বোধহয় আর শান্ত জল ধারা দেখিনা। 

কতবার বলেছ এই নদীটা কে বাঁচিয়ে রাখবে তুমি, 

সারা জীবন পাড়ে পাড়ে হাত ধরে হাঁটবে একসাথে। 

 অতি চেনা নদী আজ শবের মতো একাকী শুয়ে।

তুমি তো আর প্রদীপ ভাসাতে পারবে না! 

জানি তোমার এত কিছু ভাবার সময় নেই, 

তবুও আমার কথা ভেবেই নদীটাকে আজও

বাঁচিয়ে রাখা যেত ভালোভাবেই। 

তাহলে আমাদের জীবন দুটো পাশাপাশি মিলেমিশে চলতো  । 

সাগরের সুবিশাল জলস্রোতে হারাতো একদিন হয়তো। 

তাই না? 

ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী

বগুলা নদীয়া

৩০/৫/২৬




 




Saturday, May 2, 2026

এই দেশে

চলো চলো ওই দূরে

ঘুরে ঘুরে পথ চিনে। 

ধান ক্ষেত পাশে রেখে

ঢুকে পড়ি কাশ বনে। 


খাল বিল লাফ দিয়ে

এসে পড়ো নদী পাড়ে। 

কালো জলে চাঁদ ভাসে

গান গাও মন ভরে। 


সারি সারি কত গাছ

খোঁজো ফেরো আনমনে

ঝরে পড়ে বুনোফুল

সব সুখ এই খানে । 


এসো এসো দেখো দেখো

কত বক মাঠে ঘোরে। 

তিল ফুলে মধু মাছি

গুন গুন গান করে। 


ছুটে ছুটে আর কত

বনে বনে লুকোচুরি। 

একসাথে বাড়ি ফিরি

হয়ে যায় মন ভারী। 


চলো চলো তাড়াতাড়ি

সাঁকো দিয়ে হাঁটাহাঁটি। 

বাঁশ গাছে ঘুঘু ডাকে

পাড়া খানা পরিপাটি। 


চলো যাই ওই দূরে

পায়ে মাখি রাঙামাটি। 

মনে মনে ভারি খুশি

এই দেশে সব খাঁটি। 



 ডা : কাজল কুমার বক্সী, বগুলা, নদীয়া 

২/৫/২০২৬











 

নদীটির জীবনের জন্য

 তুমি কি আমার নদীটাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে?  কতদিন কতবার তুমি বলেছ ক্লান্ত দিনের শেষে,  "চলনা একটু নদীটার পাড়ে গিয়ে বসি,  গল্প করি, হাল...