HOMOEOPATHIC MEDICAL OFFICER OF AYUSH, INDIA. AMATEUR ABOUT PHOTOGRAPHY AND OTHERS.
Followers
Thursday, October 8, 2026
তোমাকে বলা হয়নি আজও যে কথা
Sunday, September 13, 2026
তিন সত্যি
বলেছিলে তিন সত্যির ভালোবাসা দেবে আমাকে,
তার পরেই পড়ন্ত বিকেলের আলো মুছে
হঠাৎই হারালে কোথাও।
পান কৌড়ির ডুব সাঁতারে কোন অতলের
পাতাল পূরীর খোঁজ পেলে তুমি------
তিন সত্যির মানে হলো কি?
সদর দরজা দিয়ে হেমন্তের কাশ ফুল বয়ে এনে
পিছন দরজার তালা ভেঙ্গে পালিয়ে কোথায় বাঁচলে?
তিন সত্যির মোহে এখনো প্রেমিকারা পথ ভোলে।
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা ,নদিয়া,
১৩/৯/২৬
Sunday, August 16, 2026
আলতা পায়ে পায়ে
তোমার শান্ত কথায় ঝুমকো লতা দোলে,
বৃষ্টি ঝরানো আকাশে সন্ধা তারারা মিট মিটিয়ে জ্বলে।
হাজার শব্দ মালার ফুল ঝুরিতে গন্ধরাজ লেবুর সুবাস ছড়ায়।
তবুও হঠাৎ একদিন সমস্ত বাড়িতে শব্দহীনতার ছায়া পড়ে।
শীর্তাত বোবা কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চৌকাঠ থেকে অলি - গলি ।
রাজপথ কেড়ে নিয়ে গেছে স্বামী সন্তান নিমেষে বহুকাল আগে।
দিনের পর দিন কথা জমে জমে সাদা বরফ কুচির মত বাতাসে ভাসে।
ঝুমকো লতার থোকা থোকা ফুলগুলো আজও তোমার স্পর্শহীনতায় দোলে।
সারা জীবন অনেক কথা বলবে বলেই এই বাড়িটাতে আসা আলতা পায়ে।
ছোট থেকে বড় হওয়ার নানান গল্প বলা বাকি এখনো--
কথা হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসে কি রাঙতা মোড়া হয়ে নতুন কোন সোনালী রোদের সকালে?
বিস্তৃত নীল আকাশটাই যাদের উঠোন বাড়ি
অব্যক্ত কথার উল্কা খসার রাতে তারা কেউ ফিরে আসে না, আলতা পায়ে পায়ে।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
১৬/৮/২০২৬
Friday, August 14, 2026
দেশ প্রেম
শিব প্রসাদ দেশকে ভালোবাসতো।মানুষকেও ভালোবাসতো একই ছন্দে। আর ভালোবাসতো বাড়ির প্রত্যেক সদস্যকে। কিন্তু নিষ্টার সঙ্গে মাষ্টার ডিগ্রি করেও যখন সে একটা চাকরি পেলোনা তখন শিবপ্রাসাদ দেশের প্রতি একটু নিরাশ হলো। মানুষদেরও অত বেশী বিশ্বাস করতে পারছিলনা। তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও অমনোযোগী হতে শুরু করলো।
নিজের জীবনের ভবিষ্যত নিয়ে মনের ভিতর নানা দ্বন্দের দোলাচলে সে একদিন বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়োলো। হারিয়ে গেল কোথাও। সবাই বলতে শুরু করলো " ছেলেটা কি ভালোছিলো আর কি হয়ে গেলো।
শিব প্রসাদের বেচে থাকার ও অর্থ উপার্জনের লড়াই শুরু হলো। সে অনেক চেষ্টা করে একটা টিউশানি জোগাড় করলো প্রথমে। ছাত্র পড়াতে গিয়ে সেও আরো পড়তে শুরু করলো।
একটা দুটো করে দিনে দিনে তাঁর ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়োতে থাকলো। দুই তিন বছর ঘুরতে না ঘুরতে তার পড়ানোর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়লো। শিবিপ্রসাদ অচিরেই এক জন খ্যাতনামা শিক্ষক হয়ে উঠলো। অর্থ নৈতিক ভাবে স্বচ্ছল ও আত্ম বিশ্বাসী নাগরিক সে একজন। শিবপ্রসাদ আবারো দেশকে ভালোবাসে আগের মতো। মানুষের পাশে দাঁড়ায় আপদে-বিপদে। বাড়ির সদস্য দের জন্য দায়িত্ব পালনে পিছপা হয় না কখনো।
১৫ই আগষ্ট সে একটা জাতীয় পতাকা কিনে বাড়ীর ছাদে উড়িয়ে বলতে থাকলো
"মেরা দেশ মহান, ম্যায় খোদ হঙ্গে মহান। ১৫ আগষ্ট জিন্দাবাদ , বন্দে মাতরম।
ডা: কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
14/8/2026
Friday, August 7, 2026
চটি চাটা
নমস্কার ডাক্তার বাবু, বলছি এখানে কি হাঁস- মুরগির ওষুধ দেওয়া হয়?
-- না-না, দেওয়া হয় না।
পরের দিন আরেক জন।
--আচ্ছা ডাক্তার বাবু , এখানে কি গরু-ছাগলের ওষুধ দেওয়া হয়? কয়দিন দেখছি আমার গাঁইটার বাট ফুলেছে। দুধ দোয়াতে পারছি না।
--না-না, এখানে গরু ছাগলের ওষুধ দেওয়া হয়না। শুধু মাত্র মানুষের জন্য ওষূধ দেওয়া হয়।
--তার পরের দিন আরেক জন।
-- নমস্কার ডাক্তার বাবু , বলছি এখানে কি কোনো চটি চাটার ওষুধ দেওয়া হয়?
-- হ্যা দেওয়া হয়।
-- বলেন কি ডাক্তার বাবু ! এ তো বিশাল ব্যাপার, আমি কি একটু ভিতরে আসতে পারি?
-- আসুন।
-- বলছি চটি চাটারদের অসুবিধা কি? মানে কি কি রোগ হয়?
---কি আর হবে, ওই চটি চাটতে চাটতে জিব ফুলে যায়, অনেক সময় লালা বেরিয়ে আসে । চটি না চাটতে পারলে ভালো লাগেনা, রাত্রে ঘুম হয় না। খাওয়া -দাওয়া ভুলে যায়।
--- এ তো দেখছি অনেক অসুবিধা!
-- আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে বলবেন কি ওষুধ দেন আপনি?
--- কি আর ওষুধ, চটি চাটা ৩০ খাওয়ালেই সব ঠিক হয়ে যায়।
--তাই নাকি! তাহলে দয়া করে আমাকে একটু চটি চাটা ৩০ এক শিশি ওষুধ দেন ।আমার ঠিক ওই রোগ গুলিই হয়েছে।
--তাই নাকি? ঠিক আছে দিচ্ছি।
--- লোকটি সঙ্গে সঙ্গে বিশাল হা করে দুই ফোঁটা ওষূধ খেয়ে নিলেন। এবং নিজের গাছের চারটি পাতি লেবু দিয়ে বললেন " দারুন ওষুধ দিয়েছেন ডাক্তার বাবু, নেবু গুলো গরম ডালের সঙ্গে খাবেন ভালো লাগবে।"
আমি ভাবলাম , চটি চাটাদের রোগ মুক্তি যত তাড়াতাড়ি হবে ততই সমাজের মঙ্গল।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নাদিয়া,
৭/৮/২০২৬
--
Sunday, July 19, 2026
বর্ষা
এই চেনা পোড়া শহরটা উথাল-পাথাল হলে
বর্ষার ভ্রুক্ষেপ থাকেনা কোনো ক্ষণে।
সে উদ্দাম আনাবিল আনন্দে মাথা ভাঙ্গায়, চূর্নীতে
জল ছেটানোর খেলায় মেতে ওঠে খেয়াল খুশিতে।
যে বৃষ্টি সিক্ত সুখ বয়ে আনে মনের কোণাতে,
তৃষ্ণা মিটায় যৌবন বতী হওয়া পদ্ম বিলেতে।
শহর থেকে গঞ্জের জটিল আবর্তের ঘুরপাকে,
সেই স্রোত ধারা মেশে চেনা নদীটার বাঁকে।
একাকী বৃদ্ধের মোটা চশমায় সব ঢাকা পড়ে ,
একদিন তাঁরাও ভিজেছিল অনেক ,হাত ধরে ধরে।
হীরক কূচীর মতো জলের বিন্দু মুখে নিয়ে বাড়ী ফেরে
কিশোরীর দল ,গ্রামের সবুজ আঁকা-বাঁকা পথ ধরে।
বর্ষা তখন আশ্রয় খোঁজে চূর্নীর খোলা বুকের মাঝে,
দূর থেকে ওই শোনা যায় তারই মধুর ধ্বনি বাজে।
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা,নদিয়া,
kkbakshi007@gmail.com
20/07/2026
Tuesday, July 7, 2026
ঘর বেঁধেছি
Saturday, May 30, 2026
নদীটির জীবনের জন্য
তুমি কি আমার নদীটাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে?
কতদিন কতবার তুমি বলেছ ক্লান্ত দিনের শেষে,
"চলনা একটু নদীটার পাড়ে গিয়ে বসি, গল্প করি, হালকা করি মন টাকে। "
সেসব কথা না হয় ভুলেই গেছো,
কিন্তু নদীটা তো আর সেই নদী নেই,
তোমাকে প্রায়ই দেখি নদীতে প্রদীপ ভাসাও
ঝুড়ি ভর্তি বেল ফুল পাতা ফেলে আসো জলে,
কত রকমের নোংরা ছুড়ে ছুড়ে দাও।
সেই জন্য বোধহয় আর শান্ত জল ধারা দেখিনা।
কতবার বলেছ এই নদীটা কে বাঁচিয়ে রাখবে তুমি,
সারা জীবন পাড়ে পাড়ে হাত ধরে হাঁটবে একসাথে।
অতি চেনা নদী আজ শবের মতো একাকী শুয়ে।
তুমি তো আর প্রদীপ ভাসাতে পারবে না!
জানি তোমার এত কিছু ভাবার সময় নেই,
তবুও আমার কথা ভেবেই নদীটাকে আজও
বাঁচিয়ে রাখা যেত ভালোভাবেই।
তাহলে আমাদের জীবন দুটো পাশাপাশি মিলেমিশে চলতো ।
সাগরের সুবিশাল জলস্রোতে হারাতো একদিন হয়তো।
তাই না?
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা নদীয়া
৩০/৫/২৬
Saturday, May 2, 2026
এই দেশে
চলো চলো ওই দূরে
ঘুরে ঘুরে পথ চিনে।
ধান ক্ষেত পাশে রেখে
ঢুকে পড়ি কাশ বনে।
খাল বিল লাফ দিয়ে
এসে পড়ো নদী পাড়ে।
কালো জলে চাঁদ ভাসে
গান গাও মন ভরে।
সারি সারি কত গাছ
খোঁজো ফেরো আনমনে
ঝরে পড়ে বুনোফুল
সব সুখ এই খানে ।
এসো এসো দেখো দেখো
কত বক মাঠে ঘোরে।
তিল ফুলে মধু মাছি
গুন গুন গান করে।
ছুটে ছুটে আর কত
বনে বনে লুকোচুরি।
একসাথে বাড়ি ফিরি
হয়ে যায় মন ভারী।
চলো চলো তাড়াতাড়ি
সাঁকো দিয়ে হাঁটাহাঁটি।
বাঁশ গাছে ঘুঘু ডাকে
পাড়া খানা পরিপাটি।
চলো যাই ওই দূরে
পায়ে মাখি রাঙামাটি।
মনে মনে ভারি খুশি
এই দেশে সব খাঁটি।
ডা : কাজল কুমার বক্সী, বগুলা, নদীয়া
২/৫/২০২৬
Wednesday, April 1, 2026
গিরগিটি
Monday, March 23, 2026
সম্বল
👧👧 আমার কিছুই নেই তোমাকে দেওয়ার মত--
সমুদ্রের ঢেউ ছোঁয়া ক্লান্ত পাড়ের ঝিনুক
কিংবা পুকুর পাড়ের আলো করা অবহেলার ঘেটু ফুল,
নিলেও নিয়ে যেতে পারো ,সারাও তোমার ক্ষত।
চলে যাওয়াটা আজকাল দুই পয়সার বেলুন।
একটা মাত্র শব্দ, তারপরেই হাওয়ায় হারিয়ে যাওয়া।
আবার একটা সংসার, একদম নতুন।
বৃদ্ধ বাবা ভুল বকে সারাদিন কেবল--
"খোকা, ভালো করে সংসারটা করিস গুছিয়ে।
নাতিটাকে দেখিস, ওইই আমাদের একমাত্র সম্বল।"👱👱
বগুলা, নদিয়া,
২৩/৩/২০২৬
Thursday, March 12, 2026
তোমার কাছে
🎕🎕 তোমার কাছে বসবো নাতো আর,
এই কথাটাই বলছি বারং বার।
আমের মুকুল যতই পড়ুক ঝরে--
যতই হানো কঠিন তিরস্কার।
তোমার কাছে বসবো নাতো আর,
মাঠে মাঠে উঠুক ভরে রিক্ত হাহাকার।
পলাশ যখন রাঙ্গায় রুক্ষ চরা চর
তারি কোলে থাকবো শুয়ে হারিয়ে নিজের ঘর।
তোমার কাছে বসবো নাতো আর,
আলতা পলাশ ছেড়ে থাকাই ভার।
একলা চলাই ভালো ,বলবো হাজার বার।
আগুন জ্বলা ফুলের বাহার সঙ্গে আছে যার।🤰🤰
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া
১২.৩.২০২৬
🎕
Saturday, December 27, 2025
অভিসার
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
👩👩অভিসারে বেরোলেই দমকা ঝড় বয়,
বৃষ্টি পড়ে পিট -পিটিয়ে।
লাজুক নত ফুল পাতা নুইয়ে থাকে,
নিস্তেজ সন্ধ্যা আসে ঘনিয়ে।
ঠা- ঠা রোদেও গিয়েও শান্তি অমিল,
ছায়া হীন দুর্গম আঁকাবাঁকা পথ।
ঘামে ভেজা শরীর বিষাদে ক্লান্ত,
বারে বারে মনে জাগে মিথ্যে শপথ।
খেজুর রস ফুটতে ফুটতে সোনা,
যাই তবে ঘুরে আসি বৈকুন্ঠ পুরে।
হারিয়ে যাই কুয়াশার আড়ালে চুপি চুপি,
নিজেকে খুঁজে পাই একটু একটু করে
শ্বেত গোলাপ দিয়ে প্রেয়সী অভিসার ভোলে,
কোথাও নিখোঁজ একলা পথে।
চিরন্তন প্রবাহ স্রোত ঝরনা হয়ে মেশে--
আকুতিও চলতে থাকে সাথে সাথে। 👨👨
বগুলা নদীয়া
27/12/2025
Saturday, December 20, 2025
এক,দুই, তিন
এক, দুই, তিন
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
😢এক দুঃখে পেলাম আজই
হলদে সবুজ মাঠ,
সুখ চিকিয়ে উঠলো দেখি
ময়না মতীর ঘাট।
গভীর আমার দুই দুঃখ
মাঝ নদীতে ভাসি,
ঘুরে ফিরে তোমার কাছেই
হাসতে হাসতে আসি।
হঠাৎ আবার তিন দুঃখ
দাঁড়িয়ে আছে দূরে,
মন সায়রে ডুব দিয়েছি
থাকবো না আর ঘরে।😔😔
বগুলা,নদিয়া,
২০/১২/২০২৫
Wednesday, December 17, 2025
সেই আমি
💓💓 যদি হঠাৎ করে বইতে থাকে মাতাল ঝোড়ো হাওয়া
হৃদয়ের অলি-গলি হারিয়ে ফেলুক যত জমানো আর্বজনা।
তখন দেখো তোমার বুকেই আমার ছবি খানা---
দিব্যি আছে, চোখ গুলোতে তেমনি কাজল টানা।
যদি সুনামি স্রোতে ভাসে আচম্বিতে তোমার সুখের ঘর,
সাগর,নদী,খাল-বিল মিলে -মিশে হয় কখোনো একাকার,
সেদিনও খুঁজে পাবে বিপর্যয়ের ক্লান্ত কালো রাতে
আমাকে একান্তে, চারিপাশে কেবল নিশ্চূপ চরাচর।
যদি বরফের চাদরে ঢাকে ফলন্ত আপেল বাগান অকস্মাত,
সকল রঙ মুছে হারায় নির্জন কোনো পাহাড়ি চেনা বসতি------
তার পরেও সেই আমি, তোমাকে ডাকি অজান্তে,
শুনতে পাবে চেনা সুর, তবুও তোমার থাকে নিদ্রাহীন নিশুতি।🌘🌘
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
১৭/১২/২০২৫
Saturday, December 13, 2025
শীত
সাত সকালে ডুব দিয়েছি
শীত পালালো দূরে।
সরষে ফুলে হীরের কণা
পড়ছে ঝরে ঝরে।
ডাহুক পাখি লম্বা পায়ে
খাবার খোঁজে জলে।
শালুক ফোটে গায়ের বিলে
পাপড়ি গুলো মেলে।
নতুন বউ হাসতে থাকে
গুড় খেয়েছে বলে।
চাদর গায়ে হাঁটতে গেল
ছাগল নিয়ে কোলে।
শীতের আমি, শীতের তুমি
হাজার ঘুরে ঘুরে,
খিদে কেবল লেগেই থাকে
খাবার থরে থরে।
একটু যদি শীত না পড়ে
কেমন যেন লাগে।
মুড়ির মোয়ায় মন ভরেছে
হারাই অস্ত রাগে।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা নদিয়া,
১৩/১২/২০২৫
Thursday, December 11, 2025
খুন(কাল্পনিক চরিত্র)
,😗😗
নেতা- "দেখুন যেকোনো মৃত্যুই দুঃখজনক । তবে খুন পট্টিতে যে দু-একটা যে খুন হবে না এ কথা কেউ হলফ করে বলতে পারে না ।কিন্তু আপনি অন্য রাজ্যে দিনে কতগুলো খুন হচ্ছে যেখানে আমরা নেই তার খবর রাখেন কি? মিডিয়া কি এগুলো প্রচার করে?"
সাংবাদিক--"আমি এই খুনটার বিষয়েই জিজ্ঞাসা করছি।"
নেতা--"আপনি অন্য রাজ্যের কথা একবার ভাবুন। সেখানকার আইন-শৃঙ্খলা কোন পর্যায়ে রয়েছে সেটা জানুন।"
সাংবাদিক--"আমি নির্দিষ্ট এই রাজ্যের ওই মহিলার খুনের কথা আপনাকেই বলছি
-- নেতা--" বললাম তো ,এই রাজ্যের বিরোধীরা যারা একটা দুটো সিট পায় তাদের এসব ন্যারেটিভ। এইগুলি আমরা মেনে নেব না কিংবা রাজ্যের আমজনতা ও এটা মেনে নেবেন না।"
সাংবাদিক--"স্যার আমি তো এই খুনটার বিষয়েই জিজ্ঞাসা করছি এবং এই খুনটার বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কি? "
-- নেতা -- "জানেন, দুঃখের বিষয় হল কিছু সাংবাদিক আজকাল আমাদের কথা শুনছে না। শুধু বিরোধীদের কাছে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন ।ওদেরকে জিজ্ঞাসা করবেন তাদের রাজ্যে কতগুলো খুন হয়েছে? কত মানুষ সঠিক বিচার পায় ?বুলডোজার ট্রিটমেন্ট করে তাদের কে রাজ্য ছাড়া করছে।"
সাংবাদিক--"স্যার আমি কিন্তু........."
নেতা --" কি কিন্তু? খুনের ব্যাপারে আমরা যা করে থাকি তার কানা কঁড়ি ও অন্য রাজ্যে করে থাকে না ।পুলিশকে বলে দেওয়া আছে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে পাকড়াও করতে। আইন আইনের পথে চলবে ।"
সাংবাদিক --" বলছিলাম কি স্যার, এই খুনটার পিছনে আপনার দলের লোকই নাকি জড়িত আছে। তিনি নাকি আবার আপনার ডান হাত?"
নেতা -"কি সব আজেবাজে কথা বলছেন । যে বিষয়টার তদন্ত চলছে, সেই বিষুয় নিয়ে কথা বলছেন ।ডান হাততো আমার কাছেই রয়েছে ।এই দেখুন হাত উঁচু করে দেখাচ্ছি।"
সাংবাদিক " ডান হাত বলতে বিশেষ পরিচিত এটাই বোঝাতে চাইছি ।আপনি কিন্তু ধান ভানতে শিবের গীত গাইছেন।"
এই ভদ্রমহিলার খুনের ব্যাপারে আপনার কি প্রতিক্রিয়া দয়া করে জানাবেন একটু আমাদের?
নেতা --আপনি জানেন ১৯৪৫ সালে কত মানুষ খুন হয়েছিল ?কত মানুষ সর্বশান্ত হয়েছিল জানেন ?সেটা এক কথায় লক্ষ লক্ষ মানুষ ।সে সময় কারা ক্ষমতায় ছিল ?আপনি কিন্তু আমার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না।"
সাংবাদিক - আমি এই রাজ্যের গতকালের খুনটার কথা বলছি, যেটা খুন পট্টিতে হয়েছে।"
নেতা - " বললাম তো, এখন এটা বিচারাধীন বিষয় ।তদন্ত চলছে ।আইন আইনের পথে চলবে। ডান হাত বাম হাত বলে কেউ নেই। সবই উপরওয়ালার হাত।"
কে মরবে কে বাঁচবে সবই তাঁর ইচ্ছা ।ভক্তি মায়ের উপর ভরসা রাখুন ,সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।"
--পুলিশ নাকি সক্রিয় নয় এ ব্যাপারে কিছু বলবেন?
--পুলিশ কখন সক্রিয় হবে আর কখন নিষ্ক্রিয় হবে সেটা কি আমি আপনি বলে দিতে পারি? বললাম তো ভক্তি মায়ের উপর ভরসা রাখুন। তিনি একবার চোখ তুলে চাইলে সব আসামি ছাড়া পেয়ে যাবে।"
--কি বলছেন আপনি?আসামী ছাড়া পেয়ে যাবে মানেটা কি?"
নেতা - "সরি ভুল হয়ে গেছে, ওটা হবে সব আসামি প্রেসিডেন্সিতে ঢুকে যাবে। ওখানে ভালো ট্রিটমেন্ট হয়। ঘন্টায় মিনিটে যারা হাসপাতালে ভর্তি হয় তারও প্রেসিডেন্সিতে গেলে সব রোগ ঠিক হয়ে যায় ।এমনই কড়া দাওয়াই দেওয়া হয় ওখানে ।আমরা কিছু করি না মানে? ওই মহিলার একাউন্টে কত টাকা মাসে মাসে ঢুকেছে আগে সেটা তো দেখুন তারপরে খুনের কথা বলবেন ।আমরা মানুষের জন্য কাজ করি ,দেশের জন্য কাজ করি। বুঝলেন।"
"আমি একটু ব্যাস্ত আছি ওপারে আবার দাঙ্গা না মারামারি শুরু হয়েছে শুনছি। তিন তিনটে মানুষ খুন হয়েছে ।হ্যালো ভক্তি মা।" আমি কি ওই মারামারি ঠেকাতে যাব কিম্বা স্পটে যাব?"
ভক্তি মা--" কি-রে বাদশা বলছিস ?আরে না না ওখানে যাসনে। বাহিনী এসেছে, ওরা যা পারে তাই করবে, বরঞ্চ তুই সকাল সকাল লুচি পরোটা খেয়ে আমার সঙ্গে দেখা করিস ।তুই তো আবার ভীষণ দুষ্টু। তাই না।"
আচ্ছা ভক্তিমা" তাই হবে । আপনি যেটা বলবেন। আজকে আমার একটু কাজ আছে। আর কথা বলতে পারছি না। ধন্যবাদ।"🔻🔻
ডাঃ কাজাল কুমার বক্সী
বগুলা,নদিয়া,
১১/১২/২০২৫
Tuesday, December 9, 2025
তিন দিকে তিন মোড় রয়েছে
🌿🌿ওই যে বললাম ,তিন দিকে তিন মোড় রয়েছে।
প্রথম মোড়ে শাপলা বাওড়, আয়না খানা হার মেনেছে। ।
এগিয়ে গেলেই আর একটা, তালের সারি অনেক দূর।
হারিয়ে তুমি যেতেই পারো, শুনতে পারো বাঁশির সুর।।
শেষ মোড়েতে আঁচলপাতা সবুজ সবুজ চাষের জমি।
ওইখানেতেই তোমায় পাওয়া, হিমেল হাওয়ায় বিভোর আমি। ।
ডাক্তার কাজল কুমার বক্সী
বগুলা
নদীয়া,
৯/১২/২০২৫🌴🌴
Thursday, November 27, 2025
সামাজিক
😐😐
প্রশান্ত বাবু কলকাতা্র সন্নিকটেই এক পেল্লায় বাড়ি করেছেন। বাড়ি বললে একটু ভুলই হবে। ওটা একটা ডুপ্লেক্স সাজানো বাংলো। প্রায় সব ধরনের ফুলের ও অর্কিড গাছের ছড়াছড়ি ।এক কথায় অনবদ্য বাড়ির পরিবেশ।দিনের আলো পড়তে শুরু করলেই বাংলোর প্রতিটা নিয়ন বাতি গুলোর আলো ঝলমল
করে ওঠে ।স্বর্গীয় পরিবেশের ছোঁয়ায় প্রশান্তবাবু এক বুক প্রশান্তি নিয়ে ব্যালকনিতে বসে বিকালে চা খান তারিয়ে তারিয়ে প্রত্যেক দিন ।এ পাড়াতে তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বসবাস করছেন ।বাংলোতে ওনার স্ত্রী এবং এক মেয়ে মোট তিনজনই থাকেন। প্রশান্ত বাবু নাম করা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ।বড় কোম্পানিতে দীর্ঘদিন ধরে তিনি চাকুরী করছেন।...বেশ অর্থশালী ও বটে ।বাড়ির সামনে দুই দুটো গাড়ি সাজানো থাকে ।
ওই পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ডাক্তার অনিমেষ ব্যানার্জি বিখ্যাত জেনারেল সার্জেন । তিনি প্রত্যেকদিন এই পাড়ার চওড়া রাস্তা ধরে মর্নিং ওয়াক করেন। একদম সময় মেপে । প্রশান্তবাবু সঙ্গে ডাক্তার ব্যানার্জীর পরিচয় আছে বেশ ভালই ।মাঝেমধ্যে দেখা সাক্ষাৎ হলে ছোটখাটো নানান ধরনের কথাবার্তা হয়।
হঠাৎ একদিন ডাক্তার ব্যানার্জি প্রশান্ত বাবু কে জিজ্ঞাসা করলেন " আচ্ছা প্রশান্ত বাবু ,আপনার বাড়িতে তেমন কোন লোকজন বন্ধু-বান্ধব ,আত্মীয়-স্বজনকে আসতে দেখি না যে !কি ব্যাপার ? "
প্রশান্ত বাবু আস্তে হেসে বললেন "আমরা একটু ফাঁকা ফাঁকাই থাকতে পছন্দ করি। বেশি ঝুট ঝামেলা ভালো লাগেনা । আসলে মা-বাবা, ভাই টাই সবাই গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। ওরা ঠিক এই পরিবেশে আসতে চান না কিংবা থাকতে চান না । বলে কিনা। " এত আলোর মধ্যে ঘুম হবে না ঠিক ।" আর আমার যা কিছু পৈত্রিক সম্পত্তি সব ভাইয়েরা এক কথায় জবরদখল করেই আছে । আমার স্ত্রী এই ব্যাপারটা একদমই মেনে নিতে পারেননি। উনিও উনিও গ্রামের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছেন ।আর আমার মেয়েও গ্রামের পরিবেশ একদমই পছন্দ করেনা ।"
বাড়িতে মেয়ের টিউশন ,ছবি আঁকার্ ও গান শেখার মাস্টারমশাইরাই যাতায়াত করেন ।আমি বাড়ির বাইরেই পার্টী কিংবা উৎসব যা কিছু করার করি ।" ডাক্তার ব্যানার্জি বললেন ,"ও আচ্ছা ব্যাপারটা বুঝলাম । আচ্ছা চলি আজকে ,ভালো থাকবেন। "
এর পর ৫ বছর দেখতে দেখতে কেটে গেছে ।বাংলোর পরিবেশ এক কথায় বদলে গেল হঠাৎ করেই । তারপর প্রশান্তবাবু যকৃতের রোগে আক্রান্ত হলেন ।এক কথায় প্রথম পর্যায়ের সিরোসিস অফ লিভার । ধীরে ধীরে হাতে-পায়ে জল জমতে শুরু করল ,আর জন্ডিস তো আছেই । তিনি দুর্বল ও রোগে ভগ্ন প্রায় হয়ে পড়লেন ।
ভাগ্য সব সময় ছন্দে এবং সহায় হবে এ কথাটা কেউ হলফ করে বলতে পারে না ।প্রশান্ত বাবু কি ভেবেছিলেন তার জীবনে এরকম দুর্দিন নেমে আসবে। প্রশান্তবাবুর স্ত্রী স্বামীর শরীরের কথা চিন্তা করতে করতে একদিন হঠাৎই মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। ব্যাস মাথা ফেটে চৌচির ।তার মেয়ে তাড়াহুড়ো করে গাড়িতে করে লোকাল এক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেল এবং সেখানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে দিল । নিজের বাবা ও মা এইভাবে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়াতে প্রশান্তবাবুর মেয়ে নীলাঞ্জনা আকুল পাথারে পড়ল। কি করবে ভেবেই উঠতে পারছিল না । সঞ্চিত অর্থ ধীরে ধীরে কমে আসছ।।পড়াশোনা প্রায় লাটে উঠেছে। প্রসাদসম বাংলোতে যেন অন্ধকারের কালো ছায়া ঘিরে ধরল আস্তে আস্তে ।বাড়ির সব আলো আর ঠিকমতো জ্বলছে না।
সবাই ফিসফিস করে বলতে শুরু করল," কি থেকে যে কি হয়ে গেল সংসারটা ! কি সুন্দর সাজানো সংসার ছিল । " ছেলে বৌমার এই দুর্দশার কথা জানতে পারার পর থেকে প্রশান্তবাবুর মা ও বাবা ছেলেকে দেখতে আসলেন এবং থেকে গেলেন কয়েক দিন। ভাইয়েরাও একে একে দেখে গেলেন ওদের। যে যেভাবে পারল এই বিপদের দিনে পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করল ।প্রশান্তবাবু পৈত্রিক সম্পত্তি ভাইয়েরা বিক্রি করে দাদাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন ।দিন সব সময় একই লয়ে চলে না। প্রশান্ত বাবু ভালো হাসপাতালে লাগাতার চিকিৎসার ফলে আস্তে আস্তে ভালো হয়ে উঠতে শুরু করলেন ।তাঁর স্ত্রীও এখন অনেক সুস্থ ।প্রশান্ত বাবু চিকিৎসকদের অশেষ ধন্যবাদ ও প্রশংসায় পঞ্চ মুখ সারাদিন । ভগবান রুপে তাঁরা তাকে চিকিৎসা করে সারিয়ে তুলেছেন সে কথা জনে জনে জানাচ্ছেন তিনি ।বেশ কয়েক মাস পরে প্রশান্ত বাবু অফিসে গেলেন ।ওর স্ত্রী কলা পেঁপের মাছের ঝোল রান্না করে খাওয়ালেন।মেয়ে আবারও পড়তে ও ছবি আঁকায় মন দিল। কিন্তু সবার মনেই একটা আশঙ্কা প্রশান্ত বাবু আবারো কোনো অসুবিধা না হয়। যাই হোক প্রশান্ত বাবুর বাড়িতে ধীরে ধীরে সব আলো গুলো আস্তে আস্তে জ্বলতে শুরু করলো ।আবারও ডাক্তার ব্যানার্জি সেদিন বললেন , "প্রশান্তবাবু সুস্থ হয়ে বাড়িতে আছেন শুনে ভালো লাগলো। আরো জানালেন ,কোন অসুবিধা হলে তাকে যেন জানানো হয়, " প্রশান্ত বাবু বললেন , "অবশ্যই, আপনি অনেক সাহায্য করেছেন তার জন্য চির কূতজ্ঞ আমি ।" ডক্টর ব্যানার্জি বললেন, " আরে না না ,এগুলো যদি আমি না করি তাহলে সার্জেন হলাম কেন ?আপনি ভালো থাকবেন ও খাওয়া দাওয়ার দিকে বিশেষ নজর রাখবেন সবসময় । নিয়মিত চেকআপ করাবেন তাহলেই ভালো থাকবেন ।চলি তাহলে আজকে, পরে আসবো আবারো কথা হবে "
প্রশান্ত বাবু ব্যালকনিতে বসে আজকের সকালের রোদ গায়ে লাগিয়ে খবরে কাগজ নিয়ে চা খেতে বসলেন । তাঁর বাগানের রং-বেরঙের ফ ফুলগুলো প্রশান্ত বাবুকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলল ।
ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ওই যে বললাম, দিন সব সময় সকলের সমান যায় না ।প্রশান্ত বাবুও আজকাল অনেক সামাজিক।
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া,
২৭/১১/২০২৫
Thursday, October 2, 2025
ভালো ছেলে
😀😀 বুকুনের নেই কোনো দামি মটোর সাইকেল,
পকেটে গার্ল ফ্রেন্ডের লিস্টও থাকে না।
সে পড়াশোনা করে,ছবি আঁকে,গান করে,
বুকুন ভালো ছেলে ,বাজে বকেনা।
সবাই বলে ' ও বড়ো ডাক্তার হবে কিংবা নাম করা বিজ্ঞানী''
ওর মা কিন্তু বলে '' বুকুন ভালো মনের মানুষ হোক''
কালের গতিতে দিন যায়, বছর যায় বারে বারে
ফুলে ফুলে ভরে যায় চেনা শহরের অশোক।
বুকুন বর্তমানে বিখ্যাত কলেজের এক গবেষক।
কিন্তু ভারী দুঃখ বাবা, জেঠু, কাকার ও পাড়ার সবার।
ওর নাকি গবেষনার বিষয় একদম অন্য রকম,
সব রকম দুর্নীতি নিরাময়ে ভ্যাকসিন আবিস্কার।
বুকুনের কোনো হেল-দোল নেই ওই সব নিয়ে
মানুষের জন্য বড় দায়িত্ব রয়েছে তাঁর কাঁধে।
তবে অনেক প্রচেষ্টার পর সাফল্য এলো এক দিন,
নুতন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হলো দুর্নীতি রোধে ।
সবাই ধন্য ধন্য করতে লাগলো বুকুন কে নিয়ে
কিছু দিনের মধ্যেই গবেষক হয়ে পড়লো হতাশ।
দেশের মানুষই ওই ভ্যাকসিন নিতেই চাইলোনা কখনো,
তাইতো দেশে এখনো রয়েছে বিষাক্ত বাতাস।👩👩
ডাঃ কাজল কুমার বক্সী
বগুলা, নদিয়া
২/১০/২৫
তোমাকে বলা হয়নি আজও যে কথা
হাজারো মানুষের দুঃখ কথা শুনতে শুনতে আমার কালশীটে পড়া আট পৌরে বেদনার আলেখ্য তোমাকে বলা হয়নি কখনো। প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম ছন্দে বড় বড় দুঃখের যাঁত...
-
বিবাগী বৃষ্টি ডাঃ কাজল কুমার বক্সী(এইচ,এম,ও ) যাক বৃষ্টিরা এ বছরের মতো খাল,বিল ,নদী নালা টই টম্বুর করে শব্দ হারা একলা বিবাগী। আলো মতীর খে...
-
বলেছিলে তিন সত্যির ভালোবাসা দেবে আমাকে, তার পরেই পড়ন্ত বিকেলের আলো মুছে হঠাৎই হারালে কোথাও। পান কৌড়ির ডুব সাঁতারে কোন অতলের পাতাল ...
-
এই নদী তুই কেমন করে বইতে থাকিস! রোজই দেখি একটা করে গল্প বলিস। বটের ছায়ায় ওই যে দেখি পাথর সিঁড়ির ঘাট, হাজার মানুষ নাইতে আসে ধন্য হলো পাট। নিত...











