যেতে বললেই তো আর যাওয়া যায় না।
কুয়াশার চাদর সরিয়ে, রাস্তা খুঁজে খুঁজে
পাহাড়ের গায়ে ভাসা ভাসা মেঘ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
ঝুম চাষের সবুজ দুই হাতে নিয়ে নিয়ে
তবেই তো বসা যায় চেনা নদীটির পাড়ে।
যেতে বললেই তো আর যাওয়া যায় না।
ছবি তুলে তুলে ,হাতির পিঠে দুলে দুলে
তোমাকে না হয় ভুলেই যাব হঠাৎ পলে পলে।
রোদের ছটায় হাসুক পাহাড় আকাশ নীলে নীলে।
দলে দলে প্রজাপতি খেয়াল খুশি ওড়ে।
যেতে বললেই তো আর যাওয়া যায় না।
চায়ের পাতায় বৃষ্টি পড়ে সোহাগ দিয়ে দিয়ে।
হারাই যদি উল্টো পথে বনের ছায়ে ছায়ে
ময়ূর পালক কুড়িয়ে নেবো, চলবো পায়ে পায়ে।
তোমাকে না হয় খুঁজবো তখন হাজার লোকের ভিড়ে।
যেতে বললে তো আর যাওয়া যায় না।
কত রকম পাখি ডাকে বনের মাঝে মাঝে,
সারা সকাল ব্যস্ত থাকে কেবল নিজে নিজে।
তুমি না হয় ভুলেই থেকো হাজার কাজে কাজে।
হাওয়ায় হাওয়ায় কেবল দেখি রঙিন ওড়না ওড়ে।
যেতে বললেই তো আর যাওয়া যায় না।
তবুও তো আসছি আমি কেবল ছুটে ছুটে।
আশার আলো জ্বালাই নদীর তটে তটে,
সবজি বেঁচে পাহাড়ী মেয়ে গ্রামের হাটে হাটে।
ওই তো দেখি হঠাৎ করে তোমার ছোট্ট কুঁড়ে।
ডাক্তার কাজল কুমার
বগুলা, নদীয়া,
১৭/৭/২০২৫

No comments:
Post a Comment